দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রল, ওমর সানীর জন্য নতুন কিছু নয়। কখনও তার কথাবার্তা, কখনও ব্যক্তিত্ব, আবার কখনও হাতে থাকা ঘড়ি নিয়েও নানা মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। তবে এসব নিয়ে মোটেও বিচলিত নন নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় এই চিত্রনায়ক। বরং নিজের হাতে থাকা ‘দামি’ বলে আলোচিত ঘড়িটির আসল দাম জানিয়ে চমকে দিয়েছেন তিনি।
ওমর সানী বলেন, আমাকে ট্রল করার মতো কোনো কাজ আমি জীবনে করেননি। আমার কর্মকাণ্ড বা কথাবার্তাকেই অনেকে নিজেদের মতো করে ট্রলের বিষয় বানিয়ে নেন।
এই অভিনেতার ভাষ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন কিছু মানুষ রয়েছেন, যারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভিন্ন বিষয়কে ট্রলের রূপ দেন। তবে এসবকে গুরুত্ব দিতে চান না তিনি।
নিজের স্বভাবের প্রসঙ্গ টেনে ওমর সানী বলেন, ‘আমার একটাই জিনিস হচ্ছে, আমি একটু প্রতিবাদী। আমি সরাসরি কথা বলতে পছন্দ করি। এই সরাসরি কথা বলাটা অনেকের ভালো লাগে না। যাদের আঁতে ঘা লাগে, তারা এসব ছড়ায়। এসবে তাই পাত্তা দিই না। যারা এসব করে, তারা ফালতু লোক।’
সম্প্রতি নিজের ব্যবহৃত একটি ঘড়ি নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা হওয়ার কথা জানান ওমর সানী। তার দাবি, অনেকে ঘড়িটির দাম প্রায় ২৯ লাখ টাকা বলে প্রচার করেছেন। অথচ তার হাতে থাকা ঘড়িটির প্রকৃত দাম মাত্র ১১০০ টাকা।
ওমর সানী বলেন, ‘আমি এটা প্রাউডলি বলতে পারি, কোনো দিন কোনো কিছুতে আলগা বাহাদুরি করিনি। আমার মার্সিডিজ থাকার পরও আমি ফুটানি করি না। এটা নিয়ে বড় করে কথা বলার কিছু নেই।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো পোস্ট নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়ে তা মুছে ফেলেছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সাধারণত পোস্ট মুছে ফেলার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। এক-দুবার হয়ত পোস্ট সরিয়েছেন। তবে কাউকে ছোট করে কখনও পোস্ট করেননি বলেও দাবি করেন তিনি।
শিল্পীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়তা নিয়েও নিজের মত জানিয়েছেন ওমর সানী। তার মন্তব্য, যারা সত্যিকার অর্থে শিল্পী, তারা তুলনামূলক কম কথা বলেন বরং যারা শিল্পী নন, তারাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশি কথা বলেন।
কে